এইচএসসি পরীক্ষায় ফল বিপর্যয়ের কারণে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ১৩টি কলেজের পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর রুনা নাছরিন স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লার ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠানের পাশের হার শূন্য থেকে পাঁচ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে, তাদের ফলাফল সন্তোষজনক নয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ৭ জানুয়ারি কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা কমিটির সভায় ১৩টি প্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণির পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিজয়নগর উপজেলার নিদারাবাদ ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চানপুর আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, তোহা স্মৃতি গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, সদর উপজেলার ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ, রামগতি উপজেলার সেবাগ্রাম ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, লালমাই সুরুজ মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, চৌদ্দগ্রাম মডেল কলেজ, দাউদকান্দি উপজেলার অজরা এসইএস ডিপি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার জিবগাঁও জেনারেল হক হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং শরিফুল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো. নুরুন্নবী আলম বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান বারবার সতর্ক করার পরও মান উন্নয়নে ব্যবস্থা নেয়নি তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটি একটি উদাহরণ তৈরি হলো অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য। যারা খারাপ করবে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, তবে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সাময়িকভাবে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা শর্ত পূরণ করলে, আবারও একাডেমিক কার্যক্রমে ফিরতে পারবে।
কুমিল্লা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. সামছুল ইসলাম বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনার শর্ত পূরণ করতে পারেননি এবং যাদের ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে, তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।































