দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্যভিত্তিক অর্থনৈতিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশের কাছাকাছি রয়েছে। বিপরীতে এই অঞ্চলে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলোতে ঋণের অনুপাত অনেক বেশি।
আইএমএফ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ঋণ পরিস্থিতি নিম্নরূপ:
শ্রীলঙ্কা: জিডিপির প্রায় ৯৫ শতাংশ
ভারত: জিডিপির প্রায় ৮৩ শতাংশ
পাকিস্তান: জিডিপির প্রায় ৭০ শতাংশ
বাংলাদেশ: জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশ
বিশ্লেষকদের মতে, এই হিসাব অনুযায়ী জিডিপির অনুপাতে বাংলাদেশের সরকারি ঋণের হার ভারতের অর্ধেকেরও কম এবং পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় বেশ কম। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের নানা চাপের মধ্যেও এই তুলনামূলক কম ঋণহার দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দিক।
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, জিডিপির তুলনায় সরকারি ঋণের অনুপাত আয়ত্তে থাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে নীতিগত নমনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ থাকে।
তবে এই সুবিধা পুরোপুরি কাজে লাগাতে ঋণ গ্রহণে টেকসই নীতি অনুসরণ, সরকারি ব্যয়ের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং ঋণের সঠিক উৎপাদনশীল ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।






















