| |
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • সামুদ্রিক নীতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
  • সামুদ্রিক নীতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন

    দেশের সামুদ্রিক খাতকে আধুনিক, নিরাপদ, প্রতিযোগিতামূলক এবং পরিবেশগতভাবে টেকসই জাতীয় উন্নয়নের চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করতে নীতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন ও পরিচালনাগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    আগামীকাল বিশ্ব নৌ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের সামুদ্রিক খাতের সার্বিক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের অগ্রাধিকারের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী নীতি বাস্তবায়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, পরিবেশবান্ধব নৌপরিবহন, দক্ষ নাবিক তৈরি এবং কার্যকর সামুদ্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা।

    আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর নির্ধারিত প্রতিপাদ্য—‘নীতিকে বাস্তবে রূপ দিয়ে সামুদ্রিক খাতের উৎকর্ষ অর্জন’—উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই লক্ষ্য অর্জনে কেবল সুষ্ঠু আইন ও বিধিবিধান প্রণয়নই যথেষ্ট নয়, বরং এর সফল প্রয়োগ ও কার্যকারী পরিচালনা প্রয়োজন।

    বাণীতে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি জানান, বিজ্ঞানভিত্তিক ও টেকসই উপায়ে সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবহার, গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ, পরিবেশবান্ধব পর্যটন এবং উপকূলীয় শিল্পের মাধ্যমে ব্লু ইকোনমি (নীল অর্থনীতি) প্রসারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এজন্য একটি ‘জাতীয় ব্লু ইকোনমি কর্তৃপক্ষ’ প্রতিষ্ঠা এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০ শতাংশেরও বেশি সমুদ্রপথে পরিচালিত হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত গুরুত্ব এবং চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দরের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। ২০২৬ সালকে ‘বাস্তবায়নের বছর’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি ৪টি মূল অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেন: ১. সবুজ নৌপরিবহন ও বিশ্বমানের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার বিকাশ। ২. স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল লজিস্টিক ব্যবস্থার মাধ্যমে বন্দর অবকাঠামো আধুনিকায়ন। ৩. হাইড্রোগ্রাফি কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও সামুদ্রিক প্লাস্টিক দূষণ রোধের মাধ্যমে সামুদ্রিক সার্বভৌমত্ব ও পরিবেশ সুরক্ষা। ৪. সামুদ্রিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে নাবিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি।

    পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রী সামুদ্রিক খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে একটি সুরক্ষিত, পরিবেশবান্ধব ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষ, জাহাজ মালিক, নাবিক এবং সংশ্লিষ্ট সব পেশাজীবীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    আরও পড়ুন