জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ ও হল সংসদ (জকসু) নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আজকের মধ্যেই নির্বাচনের দাবি জানিয়ে তারা বলছেন, এর কোনো বিকল্প আমরা মানবো না।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন স্থগিত করার পরই এ বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত উপাচার্য ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন তারা।
সরেজমিনে দেখা যায়, জকসু নির্বাচন স্থগিত করার পরই শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। এমন তারা উপাচার্য ভবন ঘেরাও করে ‘জকসু জকসু’ স্লোগান দিতে থাকেন। একই সঙ্গে তারা নির্বাচন না হলে কেউ ক্যাম্পাস ত্যাগ করবেন না বলে স্লোগান দেন। শোনা যায় ‘ভিসি ভুয়া’ স্লোগানও।
এছাড়া যদি উপাচার্য পদত্যাগ করতে চান তাহলে যেন নির্বাচন দিয়ে পদত্যাগ করেন, সে দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। তারা বলেন, আজকের মধ্যেই নির্বাচন দিতে হবে এর কোনো বিকল্প আমরা মানবো না।
শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা দীর্ঘ দিন ধরে এই নির্বাচনের অপেক্ষায় ছিলাম। হঠাৎ নির্বাচন স্থগিত ঘোষণায় আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পুরো জাতির সঙ্গে আমরাও শোকাহত। তাই বলে এতো দিনের প্রতীক্ষার নির্বাচন স্থগিত মেনে নেওয়া যায় না। একজন সংসদ সদস্য মারা গেলে যেখানে জাতীয় নির্বাচন বন্ধ হয় না। সেখানে আমাদের নির্বাচন কেন স্থগিত করা হবে।
এর আগে এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় জকসু নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম।
সিন্ডিকেট সভায় নির্বাচন স্থগিতের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ সভা সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জকসু নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে কবে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।
মঙ্গলবার জকসুর ভোট গ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল। সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শুরুর নির্দেশনা থাকলেও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুবরণের খবরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান করা হয়। এসময় সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত সাপেক্ষে নির্বাচন স্থগিতের কথা জানায় প্রশাসন।































