| |
  • প্রচ্ছদ
  • বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
  • জ্বালানি খাতের আর্থিক সহযোগিতায় বিশ্বব্যাংকের ইতিবাচক সাড়া: অর্থমন্ত্রী
  • জ্বালানি খাতের আর্থিক সহযোগিতায় বিশ্বব্যাংকের ইতিবাচক সাড়া: অর্থমন্ত্রী

    Icon
    মো. শরীফুল ইসলাম, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
    প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন

    দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটানো এবং এ খাতের আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর সুরক্ষাবলয় গড়ে তুলতে বিশ্বব্যাংক ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়।

    আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) থাইল্যান্ডে বিশ্বব্যাংকের প্রোগ্রামে অর্থমন্ত্রী এসব বলেন।

    বৈঠকে দেশের জ্বালানি খাতের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং স্থানীয় ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি খাতের সংস্কার কার্যক্রম ও নীতিগত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরা হয়।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে জ্বালানি খাতে বাড়তি ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। এ চাপ সামাল দিতে এক ধরনের আর্থিক সুরক্ষা প্রয়োজন। বিশ্বব্যাংক এ বিষয়ে সহযোগিতার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। ভবিষ্যতেও সংস্থাটি বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতার বিষয়টি শুধু বিদ্যমান তহবিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং জ্বালানি খাতে চলমান সংকটের প্রভাব মোকাবিলায়ও সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে। এ বিষয়গুলো নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

    তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে কাঠামোগত চুক্তি নিয়ে আলোচনা ও প্রক্রিয়াগত কাজ চলছে। দুই পক্ষের অংশীদারত্বের আওতায় কীভাবে সহযোগিতা আরও কার্যকর করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে।

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের ঘোষিত নির্বাচনি ইশতেহারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চলমান উদ্যোগগুলোর সামঞ্জস্যের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

    বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সংস্কারমূলক পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে। বিশেষ করে, জ্বালানি খাতের ভর্তুকি ব্যবস্থাপনা পুনর্বিন্যাস, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা অর্জনে দীর্ঘমেয়াদী অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে সংস্থাটি আগ্রহ দেখিয়েছে।

    আরও পড়ুন