| |
  • প্রচ্ছদ
  • বিশ্ব
  • যেকোনো সংকট ও সংস্কারে বাংলাদেশের পাশে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ
  • যেকোনো সংকট ও সংস্কারে বাংলাদেশের পাশে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

    Icon
    মো. শরীফুল ইসলাম, ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
    প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৯ অপরাহ্ন

    বিশ্ব অর্থনীতির সার্বিক অনিশ্চয়তা ও নানামুখী অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মুখে থাকা বাংলাদেশের পাশে শক্ত অবস্থান বজায় রাখার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক দুই আর্থিক সংস্থা—বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আয়োজিত বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর যৌথ বার্ষিক সাধারণ সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে এ ইতিবাচক বার্তা ও সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়।

    শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সঙ্গে আলোচনায় বসে বাংলাদেশ। কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে (কিউএসএনসিসি) অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সভায় বাংলাদেশের কিছু ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরে বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন অর্থমন্ত্রী।

    বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, ব্যাংক খাতের সুশাসন, রাজস্ব বোর্ডের কাঠামোগত পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির মতো বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়।

    ​বার্ষিক সভার ফাঁকে এক মতবিনিময় সভায় সরকারি প্রতিনিধিরা জানান, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংস্থা দুটির সঙ্গে অর্থপূর্ণ আলোচনা হচ্ছে। ব্যাংকিং খাত ও কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে যেসব পর্যবেক্ষণ রয়েছে, তা সমাধান এবং নতুন ঋণ কর্মসূচি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ও আইএমএফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আলোচনা বহুদূর এগিয়েছে।

    ​আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা উল্লেখ করেন, মুদ্রানীতি ও রাজস্ব সংস্কারের মাধ্যমে সামষ্টিক অর্থনীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার উদ্যোগগুলো আশাব্যঞ্জক। বিশেষ করে দুর্বল ব্যাংকিং ব্যবস্থার পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গৃহীত সংস্কার নীতি বাস্তবায়নে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখবে তারা।

    ​ব্যাংককের এই যৌথ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী ও নীতি-নির্ধারকদের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অংশগ্রহণ বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে দ্রুত সংস্কারের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তহবিল ছাড় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট অর্থনীতিবিদরা।

    আরও পড়ুন