কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুরের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। প্রাথমিক তদন্তের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানান, মূলত জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করেই এ হামলা ও দখলের চেষ্টা চালানো হয়েছে।
রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার অন্তর্ভুক্ত মানিকদি নামাপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সেখানে প্রায় ৩৫ কাঠা জমি নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল।
আর বিরোধপূর্ণ সেই জমির ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল সালমান মুক্তাদিরের টিনশেডের স্টুডিওটি, যেখানে নিয়মিত কন্টেন্ট তৈরির কাজ চলত। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, রাতে একদল লোক জমিটি দখলের উদ্দেশ্যে সেখানে অনধিকার প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। সে সময় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯-এ প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাজা কার্তুজের খোসা ও দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
হামলার সঙ্গে চাঁদাবাজির কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত চাঁদাবাজির কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
স্বয়ং সালমান মুক্তাদিরও স্পষ্ট করেছেন যে তাঁর কাছে কেউ কোনো চাঁদা দাবি করেনি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে আলাদা কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে তিনি সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করবে।
জমির এক পক্ষের সঙ্গে ‘নিউ গিনি প্রপার্টিজ’ নামের একটি ডেভেলপার কোম্পানি এবং অন্য পক্ষের সঙ্গে এক অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার যোগসূত্র রয়েছে বলে প্রাথমিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
বর্তমানে পুরো ঘটনা ও এর পেছনের কারণ উদঘাটনে বিস্তারিত আইনি ও প্রশাসনিক তদন্ত চলছে।























