| |
শিরোনাম
সমবায় ব্যাংককে দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির হাতিয়ার হতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বড় শহর নয়, মানবিক ও পরিবেশবান্ধব নগরব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য: মাহ্দী আমিন মহাসড়কে অটোরিকশা চলবে না, তবে জীবন-জীবিকা বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থা : সড়ক মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত আনতে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কৃষিমন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক কৃষিমন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক এআই ব্যবহারে সক্ষম করতে শিশুদের বুনিয়াদি শিখন দক্ষতা বাড়াতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী না হলে গণতন্ত্র টেকসই হবে না: রুহুল কবির রিজভী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে : রাষ্ট্রপতি
  • প্রচ্ছদ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়ছে দারিদ্র্য
  • বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়ছে দারিদ্র্য

    Icon
    বিশেষ প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন

    মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জের ধরে বাংলাদেশে তৈরি হওয়া তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটে ৬ লাখ কর্মসংস্থান অনিশ্চয়তায় পড়েছে। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে শ্রমবাজারের পাশাপাশি দেশে দারিদ্র্য পরিস্থিতিও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নি সংস্থা বিশ্বব্যাংকের এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে।

    বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও দুর্বল ব্যাংক খাতের কারণে বাংলাদেশ আগে থেকেই অর্থনৈতিক চাপে রয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে, শুধু ২০২৫ সালেই দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ বেড়েছে।

    পূর্বে ধারণা করা হয়েছিল ২০২৬ সালে ১৭ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠতে সক্ষম হবেন, তবে বর্তমান সংকটে সে সংখ্যা কমে মাত্র ৫ লাখে নামতে পারে। অর্থাৎ নতুন করে প্রায় ১২ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ হারাচ্ছেন।

    বাংলাদেশে ব্যবহৃত অপরিশোধিত তেলের ৬০-৬৫% এবং এলএনজির ৫৫-৬০% আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। চুক্তি অনুযায়ী এলএনজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ‘ফোর্স মেজর’ (নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা পরিস্থিতি) ঘোষণা করায় আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে এলএনজির দাম প্রতি ইউনিটে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ থেকে ২৮ ডলারে।

    গ্যাস সংকটের কারণে এরই মধ্যে দেশের ছয়টি প্রধান ইউরিয়া সার কারখানার মধ্যে পাঁচটিরই উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছিল। বিশ্ববাজারে সারের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা কৃষির ওপর চরম চাপ সৃষ্টি করছে।

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারকে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বাবদ প্রায় ২৫০ কোটি থেকে ৪৮০ কোটি ডলার ব্যয় করতে হতে পারে। ফলে সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন ব্যয়ের খাতগুলো সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

    পরিবহন ও চিকিৎসাসামগ্রীর জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধিতে দেশের প্রায় ২৫ হাজার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের পরিচালনা খরচ বেড়ে মূল্যস্ফীতিতে দ্বিতীয় দফায় বড় ধাক্কা সৃষ্টি করছে। অর্থনীতিবিদ ও গবেষকরা বলছেন, গ্যাস-সংযোগে স্থবিরতা, কর্মঘণ্টা হ্রাস পাওয়া এবং শিল্পকারখানা বন্ধ হওয়ার মতো বিষয়গুলো পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।

    সংকট কাটাতে অবিলম্বে বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সমন্বিত অর্থনৈতিক নীতি রূপায়ণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন