৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • ঢাকা
  • অতিকষ্টে ডুবে যাওয়া ধান কাটছেন কৃষকরা
  • অতিকষ্টে ডুবে যাওয়া ধান কাটছেন কৃষকরা

    Icon
    জেলা প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ণ

    বৃষ্টিতে নীলফামারীতে ডুবে গেছে উঠতি ইরি-বোরো ধান। বিশেষ করে নিচু এলাকার অনেক ধান এখন পানির নিচে। কৃষকরা অতিকষ্টে সে ধান কেটে আনছেন। এক্ষেত্রে বাড়তি মজুরিও গুনতে হচ্ছে কৃষকদের।

    সূত্র জানায়, গত কয়েকদিনের অব্যাহত বৃষ্টিপাতের ফলে জেলার ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ, সদর ও সৈয়দপুর উপজেলার নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। উঠতি ইরি-বোরো পানিতে তলিয়ে আছে কয়েকদিন ধরে।

    হাওর অঞ্চলের মতো কোমর সমান পানিতে নেমে ধান কাটতে হচ্ছে, ড্রাম, পাতিল কিংবা কলার বা পলিথিনের ভেলা বানিয়ে ধান পরিবহন করে রাস্তায় নেওয়া হচ্ছে। জেলার কিশোরগঞ্জ-ডিমলা সড়কের পাশের জমিতে কোমর পানিতে নেমে শুধু ধানের শীষ কেটে আনছেন কৃষকরা।

    কর্মরত শ্রমিক আজহার আলী ও বলে মিয়া জানান, ক্ষেতের ইরি-বোরো ধান পানিতে ডুবে আছে কয়েকদিন ধরে। এসব ধান কাটার জন্য প্রতি বিঘা ৬ হাজার টাকা নিচ্ছেন ধানকাটা শ্রমিকরা। একই উপজেলার নিতাই ইউনিয়নে দেখা গেল বুক পানিতে নেমে ধান কাটছেন কৃষক ও শ্রমিকরা। নীলফামারীতে ডুবে যাওয়া ধান কৃষকরা কাটছেন অতিকষ্টে

    জেলার সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড ও সৈয়দপুর পৌরসভার ১ ও ২ নং ওয়ার্ডের আওতাধীন এলাকায় গত কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাতে বোরো আবাদ ঘরে তুলতে ব্যয় দ্বিগুণ হয়েছে। এ অবস্থায় আমন এর বীজতলা ও রোপণ নিয়ে এলাকার কৃষক, বর্গাচাষিরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

    কামারপুকুরের ধলাগাছ গ্রামের ফারুক হোসেনসহ এলাকাবাসী কারণ হিসেবে বলছে, রাস্তার পশ্চিম পাশের দুটি ফ্যাক্টরি পানি যাতায়াতের জায়গা ভরাট করায় এই সব স্থানের পানি পঁচা নালা খাল অবধি পৌঁছাতে পারছে না। দুই দিকের দুটি কালভার্ট মাটি দিয়ে ভরাট করে ফেলেছে ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ।

    এলাকাবাসী সমস্যা সমাধানের জন্য নীলফামারী-৪ আসনের এমপি ও ওই এলাকার বাসিন্দা হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। নীলফামারী কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মঞ্জুর হোসেন স্বীকার করে অব্যাহত বৃষ্টির ফলে জেলার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষেতের ফসলের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণের জন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।

    আরও পড়ুন