৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • ঢাকার বাজারে বেড়েছে সবজির দাম
  • ঢাকার বাজারে বেড়েছে সবজির দাম

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২৯ মে ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ণ

    রাজধানী ঢাকা এখনও চিরচেনা রূপে ফেরেনি। ঈদের ছুটিতে ঢাকা এখন ফাঁকা অধিকাংশ মানুষ গ্রামে থাকায় এখনও এখনো জমে উঠেনি বাজার। এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে। ঈদের ছুটি শেষ না হওয়ায় বাজারগুলো প্রায় ক্রেতাশূন্য। তবে সরবরাহ কম থাকায় সবজির দামও চড়া।

    শুক্রবার (২৯ মে) রাজধানীর মতিঝিল ও আরামবাগ বাজারসহ বেশ কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে ঘুরে দেখা যায়, কাঁচাবাজারের অর্ধেকেরও বেশি দোকান এখনও বন্ধ। অনেক ব্যবসায়ী ঈদ উদযাপন করতে ঢাকার বাইরে গেছেন।

    আর যারা দোকান খুলেছেন, তারাও অলস সময় পার করছেন। শেওড়াপাড়া বাজারের সবজি বিক্রেতা ডালিম বলেন, ঈদের পর বাজারে একদমই কাস্টমার নেই। ঢাকায় মানুষ না ফিরলে বাজার জমবে না। দিনে যে দুই-চারজন আসছেন, তারা খুবই অল্প পরিমাণে কেনাকাটা করছেন। বেচাবিক্রি না থাকায় আমাদের শুধু বসে থাকতে হচ্ছে।

    এদিকে বাজারে সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। অনেক সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৮০-১০০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, পটল ও ঢেঁড়স ৬০-৮০ টাকা এবং বরবটি ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। টমেটো ১০০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    ব্যবসায়ীদের দাবি, ঈদের কারণে দূর-দূরান্তের জেলাগুলো থেকে পণ্যবাহী ট্রাক বা যানবাহন ঢাকায় কম আসছে। আড়তগুলোতে মালের সংকট থাকায় পাইকারি বাজারে দাম বেশি, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, ক্রেতা কম থাকার পরেও সিন্ডিকেট করে এবং সরবরাহ সংকটের উছিলা দিয়ে দাম ধরে রাখা হচ্ছে।

    অন্যদিকে ঈদের পর সবচেয়ে বেশি ক্রেতাশূন্য অবস্থা দেখা গেছে মাছ ও মাংসের বাজারে। কোরবানি ঈদের কারণে ঘরে ঘরে মাংসের পর্যাপ্ত মজুত থাকায় ব্রয়লার বা গরুর মাংসের দোকানে তেমন কোনো ভিড় নেই। বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও সোনালী মুরগির দাম ঈদের আগের তুলনায় সামান্য কমলেও ক্রেতার দেখা মিলছে না।

    তাছাড়া বাজারে মাছের সরবরাহ কম থাকায় মাছের বাজার কিছুটা চড়া। ইলিশ, রুই, কাতলা কিংবা চাষের পাঙাশ-তেলাপিয়া সব ধরনের মাছই ঈদের আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে।

    খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আগামী সপ্তাহের শুরুতে অফিস-আদালত পুরোদমে চালু হলে ও সাধারণ মানুষ গ্রাম থেকে ঢাকায় ফিরতে শুরু করলে বাজার আবার স্বাভাবিক গতিতে ফিরবে।

    আরও পড়ুন