| |
শিরোনাম
ডলারের বিপরীতে সাড়ে পাঁচ বছরে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর করেই বিএনপি রাজনীতি করে: রুহুল কবির রিজভী বস্ত্রখাতের সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক সমন্বিত নীতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বল্পতম বহর ও সংক্ষিপ্ত সফরে জাতিসংঘের পথে প্রধানমন্ত্রী, বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাসের সূচনা : মাহ্দী আমিন ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী পাসপোর্ট অধিদপ্তরে নতুন ডিজি মেজর জেনারেল আলীমুল আমীন রাজউকের প্ল্যান পাসে আসছে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস: এমপি ইকবাল প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা বাস ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব স্বীকৃতি থাকলেও স্বামীর বাড়িতে মর্যাদার ঘাটতি অনুভব করতেন মরিয়ম সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট একে একে গ্রেফতার ইমরান খানের ৩ বোন
  • প্রচ্ছদ
  • স্বাস্থ্য
  • ঢামেকে নারী রোগীর আত্মহত্যা
  • ঢামেকে নারী রোগীর আত্মহত্যা

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন

    ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নতুন ভবন থেকে লাফিয়ে নিচে পড়ে নাজমিন আক্তার নামে এক রোগী আত্মহত্যা করেছেন। তিনি কিডনি, হার্টের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি ছিলেন।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস গ্রামের জালাল খন্দকারের মেয়ে নাজমিন। জুবায়ের হোসেন নামে ৪ মাস বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে তার। নিহতের বাবা দিনমজুর জালাল খন্দকার জানান, ১ সপ্তাহ আগে নাজমিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৮ম তলায় ৮০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। কিডনি, হার্টের সমস্যাসহ নানা শারীরিক সমস্যা ছিল তার।

    এর আগেও আড়াই মাস হাসপাতালটিতে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছিল। রোববার সন্ধ্যায় বাবা জালাল খন্দকার খাবার পানি সংগ্রহের জন্য ওয়ার্ড থেকে নিচে নামেন। এর কিছুক্ষণ পর নাজমিন তার মা শিল্পী বেগমকেও পানি আনতে নিচে পাঠিয়ে দেয়। বাবা পানি নিয়ে ভবনটিতে উঠার পথে নিচে মানুষের জটলা দেখতে পান।

    এগিয়ে গিয়ে দেখেন, তার মেয়েই মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তখন জানতে পারেন, ভবনটির ওপর থেকে কিছুক্ষণ আগেই লাফিয়ে নিচে পড়েছে নাজমিন। তিনি আরও জানান, ৪-৫ বছর আগ পাশের গ্রামের রায়হান নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে হয় নাজমিনের। বিয়ের কিছুদিন পর অন্তঃসত্ত্বা হলে ৭ মাস চলাকালে স্বামী ও তার জা মিলে জোর করে তার বাচ্চা নষ্ট করে ফেলে। তখন থেকেই শারীরিক সমস্যা দেখা দেয় নাজমিনের।

    এ পর্যন্ত বাবা নিজে প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ করে বিভিন্ন জায়গায় তার চিকিৎসা করছিলেন। কিন্তু, চিকিৎসার কোনো খরচ দিতো না, স্বামী রায়হান। আবার নাজমিনকে মারধরও করতো। এসব কারণেই নাজমিন প্রায় হতাশাজনক কথাবার্তা বলতো। আর বাঁচবে না বলে দীর্ঘশ্বাস ফেলতো।

    নতুন ভবনের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, নাজমিন মেডিসিন বিভাগে ভর্তি থাকা রোগী। ৮ম তলা থেকে লাফ দিয়ে নিচে পার্কিংয়ে থাকা একটি প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে সে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। হাসপাতাল পরিচালককে ঘটনাটি জানানো হয়েছে। এছাড়া শাহবাগ থানা পুলিশকেও জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন