| |
  • প্রচ্ছদ
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • বাংলাদেশকে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
  • বাংলাদেশকে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

    Icon
    অর্থনীতি ডেস্ক
    প্রকাশ: ১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন

    বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন এবং আর্থিক খাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে সহজ শর্তে ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ)। ‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট-২’ প্রকল্পের আওতায় এ অর্থায়ন করা হচ্ছে।

    প্রতি ডলার ১২৪ টাকা হিসাবে ঋণের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।

    এ অর্থায়নের বিষয়ে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক ডিভিশন ডিরেক্টর জাঁ পেসমে চুক্তিতে সই করেন।

    শনিবার (৩১ অক্টোবর) ইআরডি থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রকল্পটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

    প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য দেশের আর্থিক খাতের নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা, ব্যাংকিং খাতের তদারকি সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা দেওয়া। এটি বাস্তবায়িত হলে আর্থিক খাতের সুরক্ষা জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ব্যাংকিং খাতের সংস্কার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    প্রকল্পের আওতায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তদারকি কার্যক্রম শক্তিশালী করা, আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়নে ক্রয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারফরম্যান্সভিত্তিক শর্তের (পিবিসি) মাধ্যমে আর্থিক খাতের সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

    এ ছাড়া আমানত বিমা কার্যক্রম পরিচালনার আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো, ব্যাংক রেজল্যুশন ও পুনর্গঠন কার্যক্রম কার্যকর করা এবং পেমেন্ট নিষ্পত্তির সময় কমানোর উদ্যোগ থাকবে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সুশাসন ও আর্থিক স্থিতিশীলতা উন্নয়নও প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য।

    ঋণের শর্ত অনুযায়ী, উত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক ১ দশমিক ৫ শতাংশ সুদ দিতে হবে। অনুত্তোলিত অর্থের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমিটমেন্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাঁচ বছরের রেয়াতকালসহ মোট ২৫ বছরে ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

    বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বহুপক্ষীয় উন্নয়ন সহযোগী। অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, অবকাঠামো নির্মাণ এবং জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্থাটি বাংলাদেশকে অর্থায়ন ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে। নতুন এ ঋণ দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের সংস্কার কার্যক্রমে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন