মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিরাপদ, টেকসই ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর জোর দিয়েছে বাংলাদেশ।
রোহিঙ্গা সংকট কেবল বাংলাদেশের একার সামাজিক বা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নয়, এটি দ্রুত আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিতে রূপ নিচ্ছে—এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
সংকট সূচনার পর থেকে মানবিক দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশ ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ ছ’বছরেরও বেশি সময় পার হলেও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু না হওয়ায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও সামাজিক কাঠামোর ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সম্পদের ওপর চাপ বাড়ার পাশাপাশি কক্সবাজার ও আশেপাশের সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি ঘটছে। বাংলাদেশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কেবল মানবিক সহায়তা প্রদান করাই এই সংকটের স্থায়ী সমাধান নয়।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে বিশ্বসমাজকে—বিশেষ করে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোকে—মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর আরও কার্যকর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে হবে।
গ্লোবাল ফান্ডের বরাদ্দ কমে যাওয়ার বিষয়টিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়, সাহায্য ঘাটতির কারণে আন্তর্জাতিক মহলকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পাশে আরও জোরালোভাবে দাঁড়াতে হবে।
একই সঙ্গে দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানের উদ্দেশ্যে বহুপক্ষীয় ও আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সমন্বিত রূপরেখা তৈরি ও বাস্তবায়নের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।






























