মারান্দি বলেন, সৌদি আরব ইতিমধ্যে অনেক কিছু হারিয়েছে। এই যুদ্ধ চলতে থাকলে দেশটি সবকিছু হারাবে। ইরান কিংবা বিশ্বের অনেক দেশের মতো সৌদি আরবের অর্থনীতি বহুমুখী নয়। দেশটি প্রায় পুরোপুরি তেলের ওপর নির্ভরশীল। আর ইয়েমেনের আনসারুল্লাহর সামনে হামলার জন্য বহু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু রয়েছে। তিনি বলেন, ইয়েমেন সৌদি আরবে হামলার তীব্রতা বাড়াতে পারে।
মারান্দির দাবি, ইয়েমেন সৌদি আরবকে ধ্বংস করতে চায় না। বরং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বোধোদয় ঘটিয়ে যুদ্ধ বন্ধে তাঁকে উদ্যোগী করাই তাদের লক্ষ্য। তবে সৌদি আরব হামলার মাত্রা বাড়ালে ইয়েমেনও পাল্টা হামলা জোরদার করবে। এতে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
মারান্দি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে সৌদি শাসকগোষ্ঠীকে দেশের অভ্যন্তরে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হবে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি আরবের সম্পদ, বন্ড ও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের অর্থ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের বন্ডবাজার নিয়ে দেশটির নিজেদেরও গুরুতর অর্থনৈতিক সমস্যা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরব ও কাতারের শাসকদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অর্থ তুলে নেওয়ার সুযোগ দেবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মারান্দি। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্র সহজে তাঁদের অর্থ তুলে নিতে দেবে না।


























