| |
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে সরকার: মাহদী আমিন
  • শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষায় কঠোর অবস্থানে সরকার: মাহদী আমিন

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন

    জাতীয় অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও টেকসই প্রগতির লক্ষ্য বাস্তবায়নে বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার হচ্ছে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা এবং তরুণদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

    বর্তমান সরকারকে শ্রমবান্ধব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, শ্রমিকের অধিকার রক্ষা এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই আমাদের মূল অগ্রাধিকার। সরকার শ্রমিকদের অধিকার ও উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    বুধবার সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন (আইটিইউসি) এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব এম্প্লয়ার্স (আইওই)-এর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র এসব কথা বলেন।

    বৈঠকে ইপিজেডের অর্থনৈতিক ভূমিকা ও কর্মসংস্থানের ধারাবাহিকতায় স্বাতন্ত্র্য ধরে রাখার জন্য সার্বজনীন আইন ও নীতিমালা বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। শ্রমবাজারের উন্নয়ন এবং শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা ব্যক্ত করেন।

    মাহদী আমিন জানান, প্রতিটি শিল্পকারখানা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সেক্টরে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। আইন সংস্কারের পাশাপাশি শ্রম আইনের বাস্তবায়ন জোরদার করা হচ্ছে, যাতে শ্রমজীবী মানুষ তাদের প্রকৃত মর্যাদা ও ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত না হন।

    দেশে বেকারত্ব দূরীকরণে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। মাহদী আমিন বলেন, “আমাদের তরুণ জনগোষ্ঠীর শক্তিকে কাজে লাগাতে সরকারের লক্ষ্য কেবল চাকরি সৃষ্টি নয়, বরং আধুনিক শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ফ্রিল্যান্সিং খাতের বিকাশ ঘটিয়ে আত্মকর্মসংস্থানের পরিবেশ তৈরি করা।”

    শিল্প খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সংলাপের ওপর বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। যেকোনো অসন্তোষ দূরীকরণে নিয়মিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠক (সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধি) আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    বিদেশের শ্রমবাজারে দেশের দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে বিশেষ ট্রেনিং ও কারিগরি শিক্ষার সুযোগ বাড়ানো হচ্ছে। ফলে শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারগুলোতেও বাংলাদেশি তরুণদের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের দুয়ার উন্মোচিত হবে।

    আরও পড়ুন