| |
  • প্রচ্ছদ
  • স্বাস্থ্য
  • বরিশালের শিশু হাসপাতালে এখনো চালু হয়নি চিকিৎসাসেবা
  • বরিশালের শিশু হাসপাতালে এখনো চালু হয়নি চিকিৎসাসেবা

    Icon
    স্বাস্থ্য ডেস্ক
    প্রকাশ: ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:২২ অপরাহ্ন

    বরিশালে ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতালের নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো চালু হয়নি চিকিৎসাসেবা। শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড হিসেবে এটি চালুর সিদ্ধান্ত থাকলেও জনবল সংকটসহ নানা কারণে দায়িত্ব নিতে নারাজ কর্তৃপক্ষ। ফলে হাসপাতালটি কবে চালু হবে—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    হাসপাতালটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়নকারী গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগে একই নকশা ও মানে দুটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু হয়। রাজশাহীতে নির্মিত হাসপাতালটির অবকাঠামো শেষ করে ২০২৩ সালের ২৯ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হয়।

    বরিশালে ১৯ কোটি ৪৮ লাখ ৩৩ হাজার ৫১ টাকা ব্যয়ে ১০তলা ভিত্তির ওপর প্রাথমিকভাবে চারতলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। গত বছর ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হলেও প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে হাসপাতালটি এখনো চালু করা যায়নি। বর্তমানে ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

    এদিকে বরিশাল বিভাগে শিশুদের উন্নত চিকিৎসার একমাত্র ভরসা শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, সেখানে মাত্র ৩৬টি শয্যা রয়েছে। অথচ প্রতিদিন ধারণক্ষমতার চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকে। শীত মৌসুমে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও শ্বাসতন্ত্রজনিত রোগ বাড়ার কারণে চাপ আরও বেড়ে যায়।

    সারা বছর দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলা ছাড়াও মাদারীপুর ও শরীয়তপুর জেলা থেকে শিশু রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসে। ফলে শিশু ওয়ার্ডে তীব্র স্থানসংকট দেখা দেয়। একই শয্যায় দুইজন রোগীকে থাকতে হয়, অনেককে মেঝেতে শয্যা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। বহির্বিভাগেও শিশু রোগীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

    জানা গেছে, ভবন নির্মাণ শেষে চলতি বছরের শুরুতে শিশু হাসপাতালটিকে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত করে চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে জনবল নিয়োগ না হওয়া এবং হাসপাতালটি মেডিক্যাল কলেজ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে হওয়ায় দায়িত্ব নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছে কর্তৃপক্ষ।

    শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, ২০০ শয্যার শিশু হাসপাতাল পরিচালনায় অন্তত ৩০০ জন জনবল প্রয়োজন। কিন্তু এখন পর্যন্ত একজনও নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

    এ বিষয়ে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, বরিশাল শিশু হাসপাতাল নির্মাণে এরই মধ্যে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। হাসপাতাল ভবনের সাবস্টেশন, জেনারেটর ও প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিসহ অন্যান্য অবকাঠামো দ্রুত সরবরাহ করা হবে।

    আরও পড়ুন