| |
  • প্রচ্ছদ
  • বিনোদন
  • শ্রবণজনিত সমস্যায় ভুগছেন সংগীতশিল্পী আনুশেহ
  • শ্রবণজনিত সমস্যায় ভুগছেন সংগীতশিল্পী আনুশেহ

    Icon
    বিনোদন প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন

    লোকসংগীতের আলোচিত কণ্ঠশিল্পী আনুশেহ আনাদিল। তার কণ্ঠে লালন, বাউল ও মরমি গানের সুরে মুগ্ধ হয়েছেন অসংখ্য শ্রোতা। সেই শিল্পী এবার জানালেন জীবনের কঠিন বাস্তবতার কথা। বিরল এক শ্রবণজনিত সমস্যায় ভুগছেন তিনি।

    ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি হারাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন নিজেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন এই শিল্পী। পোস্টে আনুশেহ জানান, তিনি ‘টিনিটাস’ নামের একটি সমস্যায় আক্রান্ত। এ রোগের কারণে তার কানের ভেতরে সারাক্ষণ এক ধরনের শব্দ হতে থাকে, যা সময়ের সঙ্গে তার শ্রবণক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি উচ্চশব্দও এখন তার জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছে।

    দীর্ঘদিন ধরে গান থেকে দূরে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে আনুশেহ লেখেন, ‘আমি শুধু সত্যিটা বলতে চেয়েছিলাম, কেন আমি আর গান করি না। আমি ধীরে ধীরে আমার শোনার ক্ষমতা হারাচ্ছি। আমার টিনিটাস হয়েছে। আর কানের ভেতরের শব্দ এত জোরে হয় যে আমি আর উচ্চশব্দ সহ্য করতে পারি না। এটি আক্ষরিক অর্থেই আমার কানে ব্যথা তৈরি করে।’

    তিনি আরও জানান, চিকিৎসকরা তাকে হিয়ারিং এইড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তবে সেটি ব্যবহারের পর তার সমস্যার আরও অবনতি হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি। আনুশেহ লেখেন, ‘ডাক্তাররা আমাকে হিয়ারিং এইড পরতে বলেছিলেন, কিন্তু তার ওপর নির্ভরশীলতা আমাকে আরও কম শুনতে সাহায্য করছে এবং আমার টিনিটাস আরও খারাপ করছে। তাই আমি সেটি ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছি।’

    বর্তমানে শান্ত পরিবেশে জীবনযাপনই তার জন্য সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক বলে জানান এই শিল্পী। এ কারণেই তিনি গ্রামে থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। বর্তমানে নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘সরলবাড়ি’ ইকো রিসোর্টে বসবাস করছেন তিনি। রিসোর্ট হলেও এটি বাউলশিল্পীদের জন্য এক ধরনের আশ্রম হিসেবেও পরিচিত।

    এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘এ কারণেই আমি গ্রামে থাকতে পছন্দ করি। সেখানে পরিবেশ শান্ত এবং আমার কানের জন্যও সেটি সহজ।’ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের লোকসংগীত অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন আনুশেহ আনাদিল। তার এই শারীরিক অবস্থার খবরে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে উদ্বেগের পাশাপাশি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন অনেকে।

    আরও পড়ুন