জুলাই অভ্যুত্থানের পর করা মোট ৭০টি মামলার মধ্যে ২৬টি বিচারাধীন রয়েছে। আর সাতটি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। একটি মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। এসব মামলায় ৫৫৮ জন আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন ২০৩ জন। পলাতক রয়েছেন ৩৫২ জন। এর মধ্যে একজন আসামি মারা গেছেন। আর খালাস পেয়েছেন একজন।
ট্রাইব্যুনাল-১-এ বর্তমানে ১২টি বিডি কেস (১২০ জন আসামি) এবং ৩১টি মিস কেস (১৩৩ জন আসামি) বিচারাধীন রয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালে মোট ২৫৩ জন আসামির মধ্যে ১০৫ জন গ্রেপ্তার হলেও ১৪৭ জন এখনো পলাতক রয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল-১-এ তিনটি মামলায় আটজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুটি কনটেম্পট পিটিশন (আদালত অবমাননা) মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনাল-২-এ ১৪টি বিডি কেসে ২০৮ জন আসামি এবং ১৩টি মিস কেসে ২৭ জন আসামি বিচারাধীন রয়েছেন। এই ট্রাইব্যুনালের অধীনে মোট ২৩৫ জন আসামির মধ্যে ৭৮ জন গ্রেপ্তার এবং ১৫৭ জন পলাতক। ট্রাইব্যুনাল-২-এ চারটি মামলার রায়ে ১৫ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
দুটি ট্রাইব্যুনাল মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ২৩ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৩৭ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নিষ্পত্তি হওয়া সাতটি মামলায় মোট ৬৩ জন আসামির বিচার শেষ হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন খালাস পেয়েছেন এবং একজন গ্রেপ্তারকালীন সময় পর্যন্ত সাজা পেয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান প্রমুখ।


























