| |
শিরোনাম
অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে চালু হচ্ছে এনইআইআর আলজেরিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক জ্বালানি সহযোগিতার নতুন সুযোগ : হুমায়ুন কবির আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প মোংলায় প্রধানমন্ত্রী, কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখছে মানুষ আওয়ামী লীগ ১৭ বছর গণতন্ত্র ধ্বংস করেছে: তথ্যমন্ত্রী ঢাকা থেকে দাম্মাম-রিয়াদগামী ফ্লাইট আবার স্থগিত ঝুঁকি এড়াতে সাময়িকভাবে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ঘটনা ছাড়াই দুর্গোৎসব হলো: মীর শাহে আলম
  • প্রচ্ছদ
  • বিশ্ব
  • ভারতে একের পর এক মসজিদ ভাঙছে হিন্দুত্ববাদীরা
  • সরকার নিরব

    ভারতে একের পর এক মসজিদ ভাঙছে হিন্দুত্ববাদীরা

    Icon
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক
    প্রকাশ: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন

    ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু স্থানে ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থান সংস্কার, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের নাম করে বিভিন্ন মসজিদ বা ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

    মানবাধিকার সংগঠন ও সংখ্যালঘু অধিকার কর্মীদের মতে, এসব ঘটনার পেছনে কিছু হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী ও স্থানীয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তের ভূমিকা রয়েছে, যা সংখ্যালঘু মুসলমানদের মধ্যে নিরাপত্তার ভাবমূর্তি ও উদ্বেগ তৈরি করছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, দিল্লি এবং হরিয়ানার মতো রাজ্যগুলোতে প্রশাসনিক অভিযানের অংশ হিসেবে বেশ কিছু ধর্মীয় স্থাপনা ও সংলগ্ন ঘরবাড়ি উচ্ছেদ বা ভাঙা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, এসব স্থাপনা সরকারি বা সরকারি খাস জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল অথবা সঠিক নথিপত্র ছিল না।

    অন্যদিকে, ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য—প্রশাসন দীর্ঘদিনের পুরানো স্থাপনাগুলো উচ্ছেদের ক্ষেত্রে পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে আইনি নোটিশের যথাযথ সময় দেওয়া হয়নি।

    আইনি প্রক্রিয়া ও বিভিন্ন আদালতের নির্দেশে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ এবং ঐতিহাসিক সত্যতার নামে প্রাচীন মসজিদগুলোতে অনুসন্ধানের ঘটনাও বেড়েছে। এতে করে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সামাজিক উত্তেজনা ও আন্তঃধর্মীয় দূরত্ব বাড়ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং দেশের বিভিন্ন নাগরিক সমাজ এই ধরনের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে এবং সংবিধান প্রদত্ত ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সকল সম্প্রদায়ের উপাসনালয় সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন