| |
  • প্রচ্ছদ
  • Uncategorized
  • নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা কারাগারে
  • নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা কারাগারে

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন

    রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন ইসিবি চত্বরের দক্ষিণ মানিকদীতে নিউগিনি প্রোপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে অবৈধভাবে প্রবেশ করে ভাঙচুর, মারধর ও লুটপাটের ঘটনায় করা মামলায় কুষ্টিয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের জামাতা মো. মিজানুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এ দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার পরিদর্শক সুব্রত দেবনাথ আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

    মামলাটির প্রাথমিক তদন্তে বাদীর অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত চলমান। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে চিরপলাতকসহ মামলার তদন্তের বিঘ্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মামলার তদন্তকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামি মিজানুর রহমানকে জেলহাজতে আটক রাখা প্রয়োজন।

    আসামি মিজানুর রহমানের পক্ষের আইনজীবী শওকত হোসাইন জামিন আবেদন করেন। তবে নিবেদন মতে শুনানির জন্য বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানোর জন্য আদেশ দেন আদালত। এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিকালে ডিবি গুলশান বিভাগের একটি দল পশ্চিম মাটিকাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

    মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, শনিবার দিনগত রাতে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন পশ্চিম মাটিকাটায় ‘নিউগিনি প্রোপার্টিজ লিমিটেড’-এর প্রকল্প এলাকায় আনুমানিক ৫০ জন দুষ্কৃতকারী বেআইনি জনতাবদ্ধ হয়ে অনাধিকার প্রবেশ করে। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি প্রায় ৫০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং রামদা, ছোরা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়।

    এসময় সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. পারভেজসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। তারা কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউন ফিস’ নামের স্টুডিওতে অনাধিকার প্রবেশ, ভাঙচুর ও লুটপাট করে।

    এজাহারে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা প্রকল্প এলাকা থেকে নগদ টাকা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, বিআরবি ক্যাবল, ক্যামেরা ও প্রফেশনাল মিডিয়া ইকুইপমেন্টসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

    পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এতে বাদী প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি এবং ১ কোটি ৫০ লাখ ৪৪ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    খবর পেয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করেও গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাঁচ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে অভিযান চালিয়ে আরো একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া নামে একজন বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন