ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকেই রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা গেছে ঢাকামুখী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় । স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ট্রেনগুলো প্ল্যাটফর্মে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রীদের ভিড় বাড়ছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে ফেরা মানুষের মুখে এখনও ঈদের আনন্দের ছাপ থাকলেও জীবিকার তাগিদে কাজে ফেরার তাড়া স্পষ্ট।
রংপুর এক্সপ্রেসে করে ঢাকায় ফেরা বেসরকারি চাকরিজীবী ইমাম হসেন বলেন, পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটিয়ে ফিরেছেন তিনি। ফেরার পথে ট্রেনে তেমন ভোগান্তি না হলেও স্টেশনে নেমে যানবাহন পেতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।
একই ট্রেনের যাত্রী ফাতেমা বেগম জানান, বাচ্চাদের নিয়ে গ্রামে ঈদ করতে গিয়েছিলেন। ট্রেনের সময়সূচি মোটামুটি ঠিক থাকলেও কমলাপুরে নেমে সিএনজি বা বাস পেতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, দেওয়ানগঞ্জ, চিলাহাটি, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। কিছু ট্রেন সামান্য বিলম্বে পৌঁছালেও বড় ধরনের কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি।
সকাল ১০টা পর্যন্ত ধূমকেতু, পর্যটক, নীলসাগর, মহানগর, সুন্দরবন, বুড়িমারী, রংপুর, তিতাস, একতা, রূপসী বাংলা, জয়ন্তিকা, অগ্নিবীণা ও মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসসহ মোট ১৩টি আন্তঃনগর ট্রেন ঢাকায় পৌঁছেছে।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার সাজেদুল ইসলাম জানান, ঈদের ছুটি শেষে ফিরতি যাত্রীর চাপ বেড়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্টেশনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আগামী কয়েক দিন এই চাপ অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, ফিরতি যাত্রীর পাশাপাশি এখনও অনেককে রাজধানী ছাড়তেও দেখা গেছে। যারা ঈদের সময় ভিড় এড়াতে ঢাকা ছাড়েননি, তারা এখন গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন। স্টেশনের বাইরে যানবাহন সংকটের অভিযোগ করেছেন অনেক যাত্রী।
অতিরিক্ত চাহিদার সুযোগে রিকশা ও সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।

































