| |
  • প্রচ্ছদ
  • বিশ্ব
  • অপরাধীদের হাতে ইসরায়েলি সেনাদের চুরি হওয়া অস্ত্র
  • অপরাধীদের হাতে ইসরায়েলি সেনাদের চুরি হওয়া অস্ত্র

    Icon
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক
    প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন

    গাজা যুদ্ধের সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুদাম থেকে চুরি হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের একটি অংশ এখন দেশটির অপরাধী চক্রের হাতে পৌঁছাচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান। চুরি যাওয়া অস্ত্রের মধ্যে ট্যাংকবিধ্বংসী রকেটও রয়েছে।

    কানের প্রতিবেদনের বরাতে মিডল ইস্ট মনিটর জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে ঠিক কত পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে, সে বিষয়ে সামরিক বাহিনীর কাছেও পূর্ণাঙ্গ হিসাব নেই। চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলের আরব অধ্যুষিত সাজুর ও জালজুলিয়া শহরে চুরি যাওয়া দুটি ট্যাংকবিধ্বংসী রকেট ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে।

    কানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সামরিক অস্ত্রের ব্যবহার এবং কালোবাজারে এসব অস্ত্রের দাম কমে যাওয়ার বিষয়টি বড় পরিসরে অস্ত্র চুরির আশঙ্কা তৈরি করেছে। বিশেষ করে যুদ্ধের সময় জরুরি ইউনিটগুলোর জন্য সামরিক গুদাম খুলে দেওয়ার পর এসব অস্ত্র চুরি হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    নিখোঁজ গোলাবারুদের একটি অংশ সামরিক নথিতে যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছে বলে দেখানো সম্ভব হওয়ায় প্রকৃতপক্ষে কত অস্ত্র ও গোলাবারুদ চুরি হয়েছে, তা নির্ধারণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এদিকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ড্রোন ও সামরিক মানের অস্ত্রের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছে কান।

    তাদের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলে গ্রেনেড ব্যবহারের অপরাধমূলক ঘটনা ২০২৩ সালে ৭৫টি থেকে বেড়ে ২০২৪ সালে ৯৮৮টিতে পৌঁছায়। অর্থাৎ ওই বছরে গড়ে প্রতিদিন প্রায় তিনটি গ্রেনেড-সংক্রান্ত অপরাধের ঘটনা ঘটেছে।

    চলতি সপ্তাহে নাজারেথে একটি ড্রোন থেকে গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি পুলিশের লাহাভ ৪৩৩ ইউনিটের তদন্তে উঠে এসেছে, বেদুইন অধ্যুষিত এলাকার কিছু প্রতিষ্ঠান ভুয়া চালানের মাধ্যমে শত শত বড় আকারের মালবাহী ড্রোন কিনেছে। এসব ড্রোনের কোনো সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।

    সেগুলো কোথায় রাখা হয়েছে কিংবা কী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, সে সম্পর্কেও কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত নয়। তবে তদন্তসংশ্লিষ্টদের ধারণা, নিখোঁজ কিছু ড্রোন চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। চুরি যাওয়া অস্ত্র ও নিখোঁজ ড্রোনের কারণে সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে এখন ইসরায়েলি পুলিশ, সেনাবাহিনী, শিন বেতসহ দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কাজ করছে।

    একই সঙ্গে এসব অস্ত্র ও ড্রোনের উৎস, ব্যবহার এবং এর মাধ্যমে তৈরি হওয়া হুমকির মাত্রা নির্ধারণের পাশাপাশি তা মোকাবিলার উপায়ও খোঁজা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন