খেলা শেষে স্কোরলাইন যে ০-০ থাকবে, তা হয়তো ম্যাচের আগে খুব কম মানুষই ভেবেছিলেন। আর সেটাই সত্যি করে স্পেনকে রুখে দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের অভিষেক স্মরণীয় করে রাখল কেপ ভার্দে। এক্ষেত্রে পুরো কৃতিত্ব দিতেই হবে কেপ ভার্দে এবং তাদের গোলরক্ষক ভোজিনিয়াকে। রক্ষণভাগে রীতিমতো দুর্গ গড়ে তুলে স্পেনকে পুরো ম্যাচে চমৎকারভাবে আটকে রেখেছিল তারা।
মাঠের লড়াইয়ে অবশ্য বলের দখল পুরোপুরি স্পেনের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু ম্যাচের শেষ ৫ মিনিটের আগপর্যন্ত সেই বল দখলে রেখে খুব একটা ধার ছড়াতে পারেনি তারা। তবে প্রথমার্ধের শেষ দিকে এসে খোলস ছেড়ে বের হয় স্প্যানিশরা। তোরেস গোল করার এক সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন, তার শটটি প্রতিহত হয় ক্রসবারে লেগে।
ফিরতি বলে ওইয়ারসাবালের নেওয়া হেড দুর্দান্তভাবে রুখে দেন ভোজিনিয়া। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে তোরেস ও লাপোর্তের দুটি নিশ্চিত আক্রমণ নষ্ট করে আতলান্তা স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের সমতা (০-০) ধরে রাখেন তিনি।
মিকেল মেরিনোর বদলি হয়ে ম্যাচের ৭১ মিনিটে মাঠে নামেন লামিনে ইয়ামাল। গোলের পথ বের করতেই সম্ভবত চোটের পর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে না ওঠা ইয়ামালকে নামান স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। তাতেও কাজ হয়নি।
শেষ পর্যন্ত ড্র হয় ম্যাচ। পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়তে হয় স্পেনকে।
























