| |
  • প্রচ্ছদ
  • বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
  • সৌর বিদ্যুতের ১২ প্রকল্প অনুমোদন
  • সৌর বিদ্যুতের ১২ প্রকল্প অনুমোদন

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন

    বাতিল হয়ে যাওয়া সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ১২টি প্রকল্পে ফের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ফলে পুনঃদরপত্রের মাধ্যমে এই ১২ প্রকল্প থেকে আগের চেয়ে কম মূল্যে বিদ্যুৎ কেনার সুযোগ পেয়েছে সরকার। এতে বছরে ১ হাজার ১৬৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা সাশ্রয়ের আশা করা হচ্ছে।

    মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আগের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ (বর্তমানে বাতিল) এর আওতায় অযাচিত প্রস্তাবের মাধ্যমে স্থাপিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের গড় ট্যারিফ ছিল কিলোওয়াট ঘণ্টা ১৩.০০৫২ টাকা। এখন সেটা কমে ৯ টাকার মধ্যে চলে এসেছে। এতে ১২টি প্রকল্প থেকে বছরে ১ হাজার ১৬৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা সাশ্রয় হবে বলে আশা করছে সরকার।

    ফটিকছড়িতে ২০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলায় ২০০ মেগাওয়াট (এসি) গ্রিড-টাইড সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    একমাত্র দরদাতা প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স পাওয়ার হোল্ডিং লিমিটেডের সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা করা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৯.৪৫৫ টাকা হিসেবে আনুমানিক ৭ হাজার ৬৯৩ কোটি ৪৬ লাখ ৫৬ হাজার ২০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    পাবনায় ১৫০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে পাবনা জেলায় ১৫০ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একমাত্র দরদাতা প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল ও প্যারামাউন্ট হোল্ডিং-এর সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

    ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৯.৬২৫৮ টাকা হিসেবে আনুমানিক ৬ হাজার ৩২১ কোটি ৭১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    সুধারাম, নোয়াখালীতে ১০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সুধারাম, নোয়াখালীতে ১০ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান যৌথবাবে মাহিন ও বিদুল্লাঙ্কা-এর সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৮.৯৯ টাকা হিসেবে আনুমানিক ৩৯৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৭ হাজার ২০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    হাটহাজারীতে ১৮ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ১৮ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    একমাত্র দরদাতা প্রতিষ্ঠান এফজিএল, এফএইচএল এবং জিবিবি কনসোটিয়াম-এর সাথে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৯.৯৮ টাকা হিসেবে আনুমানিক ৭৫৮ কোটি ৯৯ লক্ষ ৩ হাজার ১৪৮ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    মৌলভীবাজারে ২০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    মৌলভীবাজারে ২৫ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একমাত্র রেসপনসিভ দরদাতা প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে পিএইচএল ও পিটিএল-এর সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৯.১৯২ টাকা হিসেবে আনুমানিক ১ হাজার ৬ কোটি ৬৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    ফটিকছড়িতে ৪৫ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ৪৫ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একমাত্র রেসপনসিভ দরদাতা প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী-ইনফ্রাকো কনসোটিয়াম-এর সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৯.৩২৪ টাকা হিসেবে আনুমানিক ১ হাজার ৬৯৮ কোটি ৯২ লাখ ৩১ হাজার ৬০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    চকরিয়ায় ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে ১০০ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান কনফিডেন্স পাওয়ার বগুড়া ইউনিট-২ লিমিটেড-এর সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৯.৮৬৯৮ টাকা হিসেবে আনুমানিক ৪ হাজার ৪৩ কোটি ২৪ লাখ ৮০ হাজার ৮০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    জলঢাকাতে ৫০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    নীলফামারী জেলার জলঢাকাতে ৫০ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একমাত্র রেসপনসিভ দরদাতা প্রতিষ্ঠান কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেডের সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ১০.০৭৭ টাকা হিসেবে আনুমানিক ২ হাজার ১৬২ কোটি ৮০ লাখ ২ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    কক্সবাজারে ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    জোয়ারিয়া নালা, রামু, কক্সবাজারে ১০০ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে চায়না নর্থইস্ট ইলেকট্রিক পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভিসেস এবং বিএম স্টার ট্রেড লিমিটেডের সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৭.৯৬৬৬ টাকা হিসেবে আনুমানিক ৩ হাজার ৪৯১ কোটি ৯৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    বিবিয়ানা ৫০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    বিবিয়ানা, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জতে ৫০ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে পিএইচএল ও পিটিএল-এর সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৯.৯১৮৬ টাকা হিসেবে আনুমানিক ২ হাজার ১৭১ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    বুড়িরডাঙ্গায় ১০০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    বুড়িরডাঙ্গা, মোংলা, বাগেরহাটে ১০০ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একমাত্র রেসপনসিভ দরদাতা প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কনফিডেন্স পাওয়ার বগুড়া ইউনিট-২ লিমিটেড এবং এশিয়ান ইনটেক পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ক্রয় করা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৯.৮৬৯৮ টাকা হিসেবে আনুমানিক ৪ হাজার ৪১ কোটি ৮ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    হেমায়েতপুরে ৭০ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট
    পাবনা জেলার হেমায়েতপুরে ৭০ মেগাওয়াট (এসি) সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একমাত্র রেসপনসিভ দরদাতা প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল এবং প্যারামাউন্ট হোল্ডিং লিমিটেডের সঙ্গে ২০ বছর মেয়াদে নো ইলেকট্রিসিটি, নো পেমেন্ট ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদনের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। ট্যারিফ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ কেনা হলে ২০ বছর মেয়াদে এই কোম্পানিকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ৯.৬৩৮০ টাকা হিসেবে আনুমানিক ২ হাজার ৯৫৫ কোটি ১ লাখ ৮ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    ময়মনসিংহে ২১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র
    রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃক ময়মনসিংহে স্থাপিত ২১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুনঃনির্ধারিত ট্যারিফ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৯৯৪ সালের ২৩ নভেম্বর একনেক সভার অনুমোদনক্রমে সরকারি মালিকানাধীন রুরাল পাওয়ার কোম্পানী লি. (আরপিসিএল) কর্তৃক ময়মনসিংহে ২১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিতি হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ট্যারিফ বিভিন্ন সময় পরিবর্তিত হয়। বিদ্যমান ট্যারিফ কিলোওয়াট ঘণ্টা ৬.৩৫১৬ টাকার পরিবর্তে পুনঃনির্ধারিত ট্যারিফ ৫.৩৪৭৮ টাকা নির্ধারণের অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিকে বাবিউবো বছরে প্রায় ৭৮৮.৯৪ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয়। এ হিসাবে চুক্তির অবিশিষ্ট মেয়াদ ৩ বছর ১১ মাস ১৮ দিন মেয়াদে আনুমানিক ৩ হাজার ১২৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    আরও পড়ুন