ইরান সংকটের অবসানে যুক্তরাষ্ট্র এখনো আলোচনায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে তেহরান আলোচনার বিষয়ে আন্তরিক নয় বলে দাবি করেছেন তিনি।
বুধবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকে রুবিও এসব কথা বলেন। এর একদিন আগে ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুথিদের হুমকির পর সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেলবাহী তিনটি ট্যাংকার লোহিত সাগর থেকে গতিপথ পরিবর্তন করে।
হুথিরা সোমবার সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেয়। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরান এর আগে উপসাগর থেকে বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিয়ে হুমকি দিয়েছে। লোহিত সাগর সৌদি তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় কূটনীতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে সমস্যা হলো, ইরান আলোচনার বিষয়ে কতটা আন্তরিক তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তারা যদি আলোচনায় আগ্রহী হয়, আমরাও প্রস্তুত। না হলে নিজেদের ও মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।
তিনি আরও বলেন, কোনো দেশ আন্তর্জাতিক নৌপথ নিয়ন্ত্রণ করে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার নজির তৈরি করলে তা বিশ্বের জন্য, বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্যও বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করবে।
এদিকে কূটনৈতিক অগ্রগতি না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র মঙ্গলবার টানা ১১তম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। তেহরানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম।
ইরান এর আগে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করে। এছাড়া হরমুজ প্রণালীতে একটি ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথাও জানিয়েছে দেশটি।
























