| |
  • প্রচ্ছদ
  • Uncategorized
  • বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করেছে নেপাল
  • বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করেছে নেপাল

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ন

    ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের কারণে দীর্ঘ প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর ভারতের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে পুনরায় বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছে নেপাল। গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে নতুন দুটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিকল্প উপায়ে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হয়।

    গত ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদীর ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নেপালের ত্রিশুলি ও চিলিমসহ প্রধান কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

    প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে সৃষ্ট প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ (NEA) বিকল্প প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতের সঞ্চালন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে পুনরায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।

    এনইএ’র নির্বাহী পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ দ্য কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সঞ্চালন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও বিকল্প জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ রপ্তানি অব্যাহত রাখা এবং বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি পুনরায় শুরু করা- দুটিই নেপালের বিদ্যুৎ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

    তিনি বলেন, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিকল্প জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহের অনুমোদন দেওয়ার পর রপ্তানি পুনরায় শুরু হয়। দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বর্ষা ও পরবর্তী সময়ে নেপাল থেকে নিয়মিতভাবে এই বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

    এর আগে গত বছরের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে বিদ্যমান ৪০ মেগাওয়াটের বাইরে অতিরিক্ত আরও ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত হলেও, ভারতীয় সঞ্চালন লাইনের অনুমোদনের অপেক্ষায় তা বর্তমানে আটকে রয়েছে।

    ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর সই হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, নেপাল প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে দৈনিক ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। বর্ষা মৌসুমে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পর উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানি করে নেপাল।

    সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বিদ্যুৎ সরবরাহ চালুর ফলে দুই দেশের মধ্যকার আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের ধারাটি আরও সুদৃঢ় হবে।

    আরও পড়ুন