রাজধানীর ভাটারা এলাকায় ১৫ আগস্ট সামনে রেখে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের গোপন বৈঠক ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫২ জনের মধ্যে ১৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রোববার (২৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হোসেন রিমান্ডের এই আদেশ দেন। রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাকিব ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজিব, সানি ও রাজন মিয়া।
এর আগে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান। সেই আবেদনের শুনানির জন্য আজ তাদের কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ড আবেদনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
আসামিপক্ষে আইনজীবী ইসলাম মিয়া রাকিব রিমান্ড বাতিলসহ জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেকের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন। এর আগে গত ১৯ আগস্ট যুবলীগ নেতা মোত্তালিব, মো. রুবেল, জি কে মাসুদ (২৮) ও যুব মহিলা লীগ নেত্রী মেহজাবিন আক্তার মালাসহ ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
গত ১৪ আগস্ট দিনগত রাতে মোট ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদনি ৫২ জনকে কারাগারে ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় দুজনকে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ, যার কার্যক্রম বর্তমানে স্থগিত ও নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ একত্রিত হয়ে ১৩ আগস্ট রাত ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও নাশকতা করার পরিকল্পনা সহ নাশকতার জন্য ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়েছিলো। তারা সবাই দেশের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ, যার কার্যক্রম বর্তমানে স্থগিত ও নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সক্রিয় নেতা-কর্মী।
আসামিদের তল্লাশিকালে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনসহ বাংলায় ১৫ আগস্ট ৫১তম জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ, সৌজন্যে দাউদপুর ইউনিয়ন যুব মহীলা লীগ লেখা শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সম্বলিত একটি ব্যানার উদ্ধার করা হয়।
























