সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়ে বিভক্তি না রেখে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সব কাজ সম্পন্ন করতে চায় সরকার। এ জন্য সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দলের কার্যকর অংশগ্রহণ আবারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা জানান।
ব্রিফিংয়ে তিনি উল্লেখ করেন, বিরোধী দল কমিটিতে অংশ নিলে তাদের উত্থাপিত বক্তব্য, প্রস্তাব ও মতামতও যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদে কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে দ্রুত কাজ চলছে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী বছরের প্রথম অধিবেশনেই (জানুয়ারি) বহুল কাঙ্ক্ষিত সংবিধান সংশোধনী বিল সংসদে উত্থাপন করা হতে পারে।
সংবিধানের মৌলিক অনুচ্ছেদ ও প্রস্তাবনায় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বাধ্যবাধকতা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, সংসদে বিল পাসের পর এবং রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে সংবিধিবদ্ধ নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট বিষয়গুলোতে গণভোট আয়োজন করা হবে। গণভোটে জনগণের সমর্থন মিললেই রাষ্ট্রপতি বিলে স্বাক্ষর করবেন।
সংবিধান সংশোধনের প্রধান ভিত্তি হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’কে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সভাপতি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার এবং অংশীজন ও সাংবাদিকদের গঠনমূলক মতামতকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।























