| |
  • প্রচ্ছদ
  • Uncategorized
  • সংসদে গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার বিল পাস
  • সংসদে গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার বিল পাস

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন

    বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের আপত্তি ও ওয়াকআউটের মধ্যেই মানবাধিকার সুরক্ষা জোরদার ও গুমকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা আইন জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়।

    এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। অধিবেশনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল ও সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল পাসের জন্য উত্থাপন করেন।

    পাস হওয়া ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’-এ গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয়, এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। বিলে গুমের অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

    তবে গুমের শিকার ব্যক্তি মারা গেলে অথবা পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নিখোঁজ থাকলে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

    আইনে নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে আদালতকে তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পদ থেকে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের কথা বলা হয়েছে, তা না হলে রাষ্ট্র ব্যয় বহন করবে।

    গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবার তার সম্পত্তি ব্যবহারের সুযোগ পাবে। তদন্ত ও বিচার উভয়ই সর্বোচ্চ ১২০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। তবে গুমের ঘটনা তদন্তে স্বাধীন কোনো তদন্ত সংস্থা গঠনের বিধান রাখা হয়নি, দায়িত্ব থাকছে পুলিশের হাতেই।

    ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’-এর মাধ্যমে ২০০৯ সালের আইন বাতিল করে নতুন কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। কমিশনে একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার থাকবেন। এর মধ্যে অন্তত একজন নারী এবং জাতীয় সংখ্যালঘু বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অন্তত একজন সদস্য রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    বিলে জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনের ঐচ্ছিক প্রটোকলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘ন্যাশনাল প্রিভেনটিভ মেকানিজম ইউনিট’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

    আরও পড়ুন