| |
শিরোনাম
ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু ২৮০ জন ধর্মীয় ব্যক্তিকে সম্মানি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জনশক্তিকে দক্ষ করতে কারিগরি শিক্ষায় অগ্রাধিকার: শিক্ষামন্ত্রী অভিনেত্রী বাঁধনের সাথে ভেনিসে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাঃ শামা ওবায়েদ ওমানের উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের অবদানে রাজপরিবারের প্রশংসা পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগাতে প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নেবে ওমান : শামা ওবায়েদ মাঠ প্রশাসন সংস্কারে সরকারের বড় উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রী বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে রাষ্ট্রপতির আহ্বান কৃষকদের ৫ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • গুজব প্রতিরোধে সতর্ক থাকতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
  • গুজব প্রতিরোধে সতর্ক থাকতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
    0-0x0-0-0#

    দেশকে অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং পুরোহিত ও সেবাইতদের সম্মানী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার আশ্রয় নিয়ে কেউ কেউ মানুষকে উসকে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে। দেশে কোনো রকমের সাম্প্রদায়িক উসকানি বা বিদ্বেষ যেন অস্থিরতার কারণ হতে না পারে, সে বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

    প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা বিধানে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, আবহমানকাল থেকেই এদেশে সব মানুষ মিলেমিশে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছে।

    সময়ে সময়ে ‘কংস’ চরিত্রের মানুষেরা সমাজে বিভেদ-বিরোধ জিইয়ে রাখার অপচেষ্টা চালিয়েছে। সমাজবিরোধী অপশক্তি যেন আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এবং কেউ যেন বিরাজমান সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

    ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ বর্তমান সরকার ও বিএনপি এই নীতিতে বিশ্বাস করে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, এই দেশ আপনার, আমার, আমাদের সবার। নাগরিক হিসেবে এ দেশে সবার অধিকার সমান। নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি রাষ্ট্র ও সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের সম্মিলন থাকে, এটিই বৈচিত্র্যময় সমাজের সৌন্দর্য। আজকের এই অনুষ্ঠানে যারা সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু হিসেবে বিবেচিত, ইউরোপ বা আমেরিকায় গেলে আমরা সবাই কিন্তু কথিত সংখ্যালঘু।

    তাই রাষ্ট্র ও সমাজে ধর্ম, বর্ণ বা দলের পরিচয় যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ ও বৈষম্য সৃষ্টির কারণ না হয়, সেই উপলব্ধি থেকেই স্বাধীনতার ঘোষকের যুগান্তকারী রাজনৈতিক দর্শন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, আসুন সবাই নিজেদের বাংলাদেশি ভাবি। আমাদের সবার গর্বিত পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।

    নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান বলেন, সার্বভৌমত্ব সুসংহত রেখে সমৃদ্ধ স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে নাগরিকদের ক্ষমতায়ন জরুরি। সেই লক্ষ্য পূরণে বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ডসহ সব ধর্মের গুরুদের জন্য সম্মানী ভাতা প্রদানের মতো যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে চলছে।

    তিনি আরও বলেন, সরকার এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়তে চায়, যা সাধ্য অনুযায়ী দল-মত নির্বিশেষে দেশের নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে এবং নাগরিকরাও রাষ্ট্রের প্রতি তাদের দায়িত্ব পালন করবে।

    এভাবেই রাষ্ট্র, সরকার ও নাগরিকদের মধ্যকার পারস্পরিক দায়িত্ব, আস্থা ও আলাপের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে উঠবে।

    আরও পড়ুন