| |
  • প্রচ্ছদ
  • বিশ্ব
  • যুদ্ধবিরতি ভেঙে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত ৭
  • যুদ্ধবিরতি ভেঙে গাজায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত ৭

    Icon
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক
    প্রকাশ: ৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন

    গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও দখলদার ইসরায়েলের হামলায় অন্তত সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে এক শিশুও রয়েছে। পৃথক এসব হামলায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বার্তা সংস্থা আনাদলুর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা সিটির দক্ষিণের সাবরা এলাকার বার্সেলোনা পার্কের পূর্বদিকে একটি বেসামরিক গাড়িতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে একটি শিশু রয়েছে।

    এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ গাজার নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের চিকিৎসা সূত্র জানায়, খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

    আহত অবস্থায় আরও নয়জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মধ্য খান ইউনিসের জোরাত আল-আক্কাদ এলাকায় ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। একই এলাকার বির জানুন ও আল-শায়ের এলাকায় পথচারীদের লক্ষ্য করে চালানো আরেকটি ড্রোন হামলায় ৩০ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে চার শিশুসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।

    অন্যদিকে রাফাহর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মুয়াবিয়া এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, একটি ইসরায়েলি কোয়াডকপ্টার ড্রোন ওই এলাকায় ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

    এর আগে মঙ্গলবার সকালে গাজা সিটির বন্দরের কাছে বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি তাঁবুতে ড্রোন হামলায় ৪৬ বছর বয়সী এক ফিলিস্তিনি নিহত হন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। গত বছরের অক্টোবর থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতি থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল নিয়মিত ড্রোন হামলা, গোলাবর্ষণ ও সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় এক হাজার ৭২ ফিলিস্তিনি নিহত এবং তিন হাজার ৪৬৩ জন আহত হয়েছেন। এদিকে ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং এক লাখ ৭৩ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন। পাশাপাশি অবরুদ্ধ এই উপত্যকার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।

    সূত্র: আনাদলু এজেন্সি

    আরও পড়ুন