ম্যাচ শুরুর আগেই সমীকরণটা জানা ছিল সেনেগালের। পরের রাউন্ডে যেতে হলে কেবল তিন পয়েন্ট নয়, দরকার ছিল বড় ব্যবধানের জয়ও। সেই লক্ষ্য পূরণে কোনো ভুল করেনি আফ্রিকার দলটি। ১৩ মিনিটেই ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া ইরাককে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে নকআউটের আশা টিকিয়ে রেখেছে ‘তেরাঙ্গা লায়ন্স’।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ছিল সেনেগাল। চতুর্থ মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন হাবিব দিয়ারা। এরপর ১৩তম মিনিটেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। সাদিও মানেকে গোলের স্পষ্ট সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেন ইরাকের ডিফেন্ডার রেবিন সুলাকা।
প্রথমে রেফারি অ্যান্থনি টেলর হলুদ কার্ড দেখালেও ভিএআরের পর সিদ্ধান্ত বদলে তাকে লাল কার্ড দেখান। ফলে ম্যাচের বাকি সময় ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় ইরাককে। একজন বেশি নিয়ে খেললেও প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি সেনেগাল। ১-০ ব্যবধান নিয়েই বিরতিতে যায় তারা।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ইরাককে আর কোনো সুযোগ দেয়নি আফ্রিকার দলটি। ৫৬তম মিনিটে নিজেদের অর্ধে জিদান ইকবালের ভুলে বল পেয়ে লামিন কামারা সেটি বাড়িয়ে দেন ইসমাইলা সারকে। সহজ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সার।
তিন মিনিট পরই বদলি হিসেবে মাঠে নেমে প্রথম স্পর্শে দুর্দান্ত এক শটে গোল করেন পাপে থিয়াও। ৭১তম মিনিটে আরও একটি জোরালো শটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করেন এই মিডফিল্ডার। শেষ দিকে ৮২তম মিনিটে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক শটে জাল খুঁজে নেন ইলিমান এনদিয়ায়ে। তার গোলেই ৫-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে সেনেগাল।
এই জয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোর লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান অনেকটাই শক্ত করেছে সেনেগাল। বর্তমানে তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোর টেবিলে পাঁচ নম্বরে আছে সেনেগাল। নকআউট নিশ্চিত করতে হলে এখন তাদের অন্য দলগুলোর ফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। অন্যদিকে ১৩ মিনিটে ১০ জনে নেমে আসা ইরাক শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানের হার নিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল।
























