| |
শিরোনাম
টোকিওর মতো ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করা হবে: প্রধানমন্ত্রী উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসীদের এগিয়ে আসতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে: হুমায়ুন কবীর ঢাকায় অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াবে টোকিও জাপানি বিনিয়োগে বাংলাদেশে খুলছে ২ লাখ কর্মসংস্থানের দুয়ার নেতানিয়াহুমুক্ত সরকার গঠনে ইহুদি-আরব ঐতিহাসিক সমঝোতার ইঙ্গিত সরকার দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যা চায় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের তাগিদ গাজার শিশুদের চিকিৎসা সহায়তা দিলেন হামজা চৌধুরী কোনো জোটই পাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠতা, ঝুলে রইল সরকার গঠন
  • প্রচ্ছদ
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • পারিবারিক প্রভাব মুক্ত করতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক
  • পর্ষদ সংস্কারে কঠোর বার্তা

    পারিবারিক প্রভাব মুক্ত করতে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন

    বেসরকারি ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদে একক পারিবারিক আধিপত্য, স্বার্থের সংঘাত এবং ঋণ সংক্রান্ত অনিয়ম বন্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রভাবশালী ব্যাংক মালিকদের চাপ ও বিভিন্ন পক্ষের সুপারিশ সত্ত্বেও পর্ষদে পরিবারতন্ত্র কমাতে নিজেদের দেওয়া সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে অনড় রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    ব্যাংক কোম্পানি আইনের খসড়া সংশোধনী অনুযায়ী, পর্ষদের গঠন ও পরিচালকদের মেয়াদের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিবর্তন আনা হচ্ছে:

    একই পরিবারের সদস্যসংখ্যা সীমিতকরণ: পরিচালনা পর্ষদে একই পরিবার থেকে সর্বোচ্চ কতজন পরিচালক থাকতে পারবেন, সে সংখ্যা কঠোরভাবে বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

    পরিচালকদের মেয়াদে কাটছাঁট: একক ব্যক্তি বা পারিবারিক প্রতিনিধি হিসেবে পরিচালকদের একটানা দীর্ঘদিন পদে থাকার সুযোগ কমানো হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকা রোধ করতে টানা দায়িত্ব পালনের সময়সীমা পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে।

    রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের ওপর বিধিনিষেধ: ব্যাংক ঋণে রাজনৈতিক প্রভাব কমাতে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের ব্যাংক পর্ষদে পরিচালক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ বন্ধ করার প্রস্তাব রয়েছে।

    খেলাপি ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ঋণে কড়াকড়ি: নিজের বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপি হলে পরিচালকদের পদ হারানোর বিধান এবং এক ব্যাংক পরিচালক কর্তৃক অন্য ব্যাংক থেকে সুবিধা নেওয়ার পথ বন্ধে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা যুক্ত করা হচ্ছে।

    কেন এই কঠোর অবস্থান?বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পরিবারের হাতে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ থাকার ফলে বেনামি ঋণ, পারস্পরিক সুবিধা গ্রহণ এবং আমানতকারীদের অর্থের অনিয়মের মতো ঘটনা ঘটছে। ব্যাংক খাতকে ঝুঁকিমুক্ত করা এবং সুশাসন নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    খসড়াটি এখন অন্তর্মন্ত্রণালয় পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে, যা পরবর্তীতে মন্ত্রিসভার অনুমোদন শেষে সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা হবে।

    আরও পড়ুন