একীভূত হওয়া সংকটাপন্ন পাঁচ ব্যাংক নিয়ে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি থেকে আমানতের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু হওয়ার পর গ্রাহকদের মধ্য থেকে আতঙ্ক কেটে যেতে শুরু করেছে। ব্যাংকিং কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে থাকায় এবং চাহিদামতো টাকা পাওয়ায় আমানতকারীদের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থা ফিরছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ধারণা করা হয়েছিল টাকা পরিশোধের প্রক্রিয়া শুরু হলে গ্রাহকদের ব্যাপক চাপ তৈরি হবে, তবে বাস্তব চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। শুরুর দিনগুলোর তুলনায় বর্তমানে শাখাগুলোতে টাকা উত্তোলনের জন্য হুড়োহুড়ি বা বাড়তি চাপ নেই।
সহজ উত্তোলন প্রক্রিয়া: গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে গ্রাহকদের মূল আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া শুরু হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাওয়া ৫ হাজার কোটি টাকার প্রাথমিক তহবিলের মাধ্যমে সফলভাবে লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে।
টাকা ফেরতের নিশ্চয়তা পেয়ে অনেকে এককালীন পুরো টাকা না তুলে শুধু মুনাফা বা প্রয়োজনীয় অংশ উত্তোলন করছেন। অনেক গ্রাহক আবার নতুন করে টাকা জমা রাখার আগ্রহও দেখাচ্ছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট জানিয়েছে, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সংকটে প্রয়োজন অনুযায়ী সব ধরনের আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে।
শুধুমাত্র আমানত ফেরতেই সীমাবদ্ধ না থেকে বাণিজ্য সহজীকরণে এলসি সুবিধা ও কৃষি খাতের জন্য তহবিল ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ব্যাংকটিকে পুরোপুরি স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনছে।ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও অর্থনীতিবিদদের মতে, সঠিক সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যকর পদক্ষেপ ও অর্থ সরবরাহের ফলে গ্রাহকদের অকারণ আতঙ্ক বা প্যানিক কমে গেছে, যা দ্রুত ব্যাংকটিকে পুনর্গঠনে বড় ভূমিকা রাখবে।

























