| |
  • প্রচ্ছদ
  • Uncategorized
  • জিয়া স্মৃতি বইমেলায় সাহিত্যপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়
  • জিয়া স্মৃতি বইমেলায় সাহিত্যপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়

    Icon
    নিজস্ব প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত নয় দিনব্যাপী ‘জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬’-এর আজ ছিল দ্বিতীয় দিন। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে মেলা।

    এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

    বইমেলায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বই পাওয়া যাচ্ছে।

    আজ দ্বিতীয় দিনে মেলা জমে উঠেছে, মেলায় কথা হয় জিনিয়াস পাবলিকেশনের দায়িত্বে থাকা মাহমুদ বিন শরীফ সঙ্গে। তিনি বাসসকে জানান, জাহাঙ্গীর শিকদারের লেখা ‘সোনালি যুগের জিয়াউর রহমান’, মো. সহিদুল ইসলাম সুমনের লেখা ‘বীর উত্তম জিয়াউর রহমান’, এই লেখকের আরেকটি বই ‘তারেক রহমানের ভাবনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম’, শাহেদ শফিকের লেখা ‘নারী শিক্ষায় বেগম খালেদা জিয়া’সহ আরও অনেক বই রয়েছে।

    মেলায় বই দেখতে আসা একজন পাঠক আমলগীর হোসেন, পেশায় একজন মনোবিজ্ঞানী। তিনি বাসসকে বলেন, তরুণ প্রজন্ম আজ বই বিমুখ হয়ে গেছে। তারা কোনো কিছু যাচাই-বাছাই ছাড়াই ফেসবুকে হুটহাট স্ট্যাটাস দিয়ে দেয়, তথ্যটি সঠিক নাকি ভুল সেটি না জেনেই। এসব কারণকেই তরুণ প্রজন্মে বই বিমুখ হওয়ার জন্য দায়ী বলে তিনি মনে করছেন।

    বই বিক্রির দায়িত্বে থাকা আরেকজন মোহাম্মদ সাঈম খান বলেন, ‘আমরা সবাই জিয়া হবো’ বইটি বেশি চলছে। মানুষজন বিভিন্ন বই সম্পর্কে জানতে চায়, হাতে নিয়ে দেখে, অনেকে কিনছেনও।

    তাছাড়া ২য় দিন শুক্রবার বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থা আয়োজিত জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬ এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এই বইমেলাটি জাতীয়াতাবাদী রাজনীতির জন্য নিঃসন্দেহে একটি মাইলফলক, ইতিহাসে এটি অনন্য জায়গা করে নেবে।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান এদেশে একটি সাংস্কৃতিক জাগরণ চেয়েছিলেন। সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য এদেশে যা কিছু প্রয়োজন তার সবই করেছেন তিনি।

    এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বইয়ের বিকল্প কিছু হতে পারে না, বই পড়ার মানসিকতা থাকতে হবে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নীতি ও আদর্শের ওপর রচিত বই এবং জিয়াউর রহমানের জীবনভিত্তিক সাহিত্যের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে জিয়া স্মৃতি পাঠাগার কেন্দ্রীয় কমিটি এই মেলার আয়োজন করেছে।

    আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে সহ-সভাপতি ও মেলার আহ্বায়ক মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী জানান, দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেলাটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

    ২য় দিনে মেলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্নস্তরের নেতা-কর্মীসহ লেখক ও দর্শনার্থীরা অংশ নেন।

    আরও পড়ুন