নতুন জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন দ্রুত জারি করার দাবিতে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সচিব কমিটি ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সর্বনিম্ন বেতন কাঠামো বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নেতারা।
এক মতবিনিময় সভায় সংগঠনের নেতারা জানান, ২০২০ ও ২০২৫ সালে দুটি পে-স্কেল পাওয়ার কথা থাকলেও সরকারি কর্মচারীরা তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫-এর সভায় কর্মচারীদের তৎকালীন অবস্থা ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কথা বিবেচনা করে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা বেতনের দাবি করা হয়েছিল।
তবে কমিশনের পক্ষ থেকে কাটছাঁট করে সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা বেতন স্কেলের সুপারিশ প্রণয়ন করা হয়। সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও নেতারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, সচিব পর্যায়ের সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি যদি ওই ২০ হাজার টাকার সুপারিশকেও আবার কাটছাঁট করে কিংবা সেখান থেকে বিশেষ সুবিধা বাদ দেয়, তবে তা বৈষম্য বাড়াবে।
এতে বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে সাধারণ কর্মচারীরা চরম অভাব, অস্থিরতা ও হতাশায় দিন কাটাবে। এমন পরিস্থিতিতে কর্মচারীদের মূল বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বাজারের বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করার অনুরোধ জানানো হয়।
উদ্ভূত সংকট নিরসনে এবং কর্মচারীদের ক্ষোভ নিরসনে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ দাবি করে অবিলম্বে নতুন পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
























