প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভালো ও উন্নয়নমূলক কোনো কাজ বাস্তবায়নে বিশেষ কোনো গোষ্ঠী বাধা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে অতীতের মতো ঐক্যবদ্ধভাবে তা মোকাবিলা করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে ডিএনসিসি আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি আজ এ কথা বলেন। ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, প্রায় ৪০ বছর ধরে যারা রাজনৈতিক সহকর্মী ও সহযোদ্ধা হিসেবে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে তারা প্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করেছেন।
জীবদ্দশায় এ দিনে দোয়া মাহফিল, কেক কাটা ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হতো। এখন তিনি তাদের মাঝে নেই। এ দিন তারা মহান আল্লাহর কাছে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করবেন, যেন আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।
তিনি বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবেন, বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে, তিনি যেভাবে দেশের ও মানুষের জন্য কাজ করেছেন, সেই কাজগুলো ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। ডিএনসিসি প্রশাসক দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও সহযোদ্ধাদের উদ্দেশে বলেন, ভালো ও উন্নয়নমূলক সব কাজে তাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
সবার সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকাকে ‘ক্লিন ও গ্রিন’ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ চলছে। তিনি বলেন, মিয়াকো বনে বন সৃজনের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে ৩০ হাজারের বেশি গাছ রোপণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত তৃতীয় ধাপের জায়গাতেও বৃক্ষরোপণ করা হবে।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, অতি দ্রুত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মিয়াকো বন পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন তার দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি, যে এলাকায় এই বন গড়ে উঠছে, সেখানকার মানুষ ও পরিবারের সন্তানরা যাতে ভবিষ্যতে নির্মল পরিবেশ ও অক্সিজেন পায়, তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা দেশের জনগণের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ বাস্তবায়নে আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। তার সহযোদ্ধা ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান যে উদ্যোগ নিয়েছেন, এটি তার ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়, বরং সরকারের উদ্যোগ। সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে সহযোগিতা করবে।
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
























