রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সংবিধানের নির্দেশনাবলী অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বর্তমানে (ভারপ্রাপ্ত) রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচন কমিশন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সংবিধানের বিধান ও আইনগত সময়সীমা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর আসন সংখ্যার ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতির নাম চূড়ান্ত হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর আওতায় নির্বাচন কমিশন এ ভোটের আয়োজন করবে।
প্রধান আলোচনার কেন্দ্রে যারা
রাজনৈতিক অঙ্গন ও দলীয় সূত্রে বেশ কিছু জ্যেষ্ঠ ও সম্মানীয় ব্যক্তিত্বের নাম নতুন রাষ্ট্রপতি পদের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে আসছে:
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এক নম্বরে রয়েছে, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এর নাম, পর্যায়ক্রমে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের নামও আলোচনায় রয়েছে।
তাদের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও আপসহীন ভাবমূর্তির কারণে দলীয় পরিমণ্ডলে ও সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের নাম প্রবলভাবে আলোচিত হচ্ছে।
প্রবীণ ও সর্বজনগ্রাহ্য ব্যক্তিত্ব:
জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক নীতি-নির্ধারকদের একটি অংশ থেকে একজন নিরপেক্ষ, প্রবীণ সংবিধান বিশেষজ্ঞ বা সর্বজনগ্রাহ্য কোনো ব্যক্তিত্বকে সাংবিধানিক এই সর্বোচ্চ পদে বসানোর মতামতও উঠে আসছে।
বঙ্গভবনের পরবর্তী পদক্ষেপ
নির্বাচন কমিশন দ্রুতই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। মনোনয়নপত্র দাখিল, যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শেষে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে (অথবা একক প্রার্থী থাকলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়) দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত ও শপথ গ্রহণ করবেন।





























