৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • বিশ্ব
  • প্রথমবার রাশিয়ার তেল জাপানে পৌঁছেছে
  • প্রথমবার রাশিয়ার তেল জাপানে পৌঁছেছে

    Icon
    আন্তর্জাতিক ডেস্ক
    প্রকাশ: ৫ মে ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ণ

    ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করেছে জাপান। দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    টিভি টোকিও ও আসাহি শিম্বুনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম জানায়, পাইকারি জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তাইয়ো অয়েলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে- রাশিয়ার শাখালিন-২ প্রাকৃতিক গ্যাস প্রকল্পে উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল একটি ট্যাংকারে করে সোমবার জাপানের পশ্চিমাঞ্চলের ইমাবারি উপকূলে পৌঁছেছে।

    জাপান নিজেদের চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশ তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলে বিকল্প উৎস খোঁজার চেষ্টা শুরু করে দেশটি। রাশিয়ার শাখালিন অঞ্চলের এই প্রকল্পটি ২০২২ সালে ইউক্রেনে হামলার পর মস্কোর বিরুদ্ধে আরোপিত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে রয়েছে। প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে তাইয়ো অয়েল এই তেল এনেছে।

    এই অপরিশোধিত তেল একটি শোধনাগারে পাঠানো হবে। সেখানে এটি থেকে গ্যাসোলিন বা পেট্রোল, ন্যাপথা (যা প্লাস্টিক, রাসায়নিক তন্তু ও রংসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়) এবং অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন করা হবে।

    তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে তাইয়ো অয়েলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সোমবার অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের সঙ্গে বৈঠক শেষে বলেন, বৈশ্বিক তেল সরবরাহ সংকট এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ‘ব্যাপক প্রভাব’ ফেলছে।

    তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে জাপান ও অস্ট্রেলিয়া জরুরি পদক্ষেপ নেবে। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের দাম বেড়ে গেছে। গত সপ্তাহে তাকাইচি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে থেকে আমদানি বাড়ানোর ফলে চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত জাপানের ন্যাপথাভিত্তিক রাসায়নিক পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মস্কোর বিরুদ্ধে বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞায় যোগ দেওয়ার পর থেকে রাশিয়ার সঙ্গে জাপানের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে।

    আরও পড়ুন