পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি। তিনি বলেন, নান্দাইলের উন্নয়নে শিক্ষাখাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সরকারের পাঁচ মাস পূর্ণ হয়নি এখনো, এরই মধ্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় নান্দাইলের ছয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেরামত ও সংস্কার কাজে ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের জারি করা পৃথক দুটি আদেশে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের চারটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেরামত ও সংস্কার কাজের জন্য এই বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় খারুয়া উচ্চ বিদ্যালয়, দেউলডাংরা ভূঁইয়াবাড়ী একাডেমী, মুশুলী কলেজ এবং সিংদই আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য ১৫ লাখ টাকা করে মোট ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় মহাবৈ মহিলা দাখিল মাদ্রাসা এবং রাজাপুর বালিকা দাখিল মাদ্রাসার জন্য ১৫ লাখ টাকা করে মোট ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে। অনুমোদিত অর্থে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় মেরামত ও সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে।

রবিবার এসব তথ্য জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন মানেই শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের ভিত্তি শক্তিশালী করা। সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা| এসব বরাদ্দ প্রদান করায় তিনি প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
এর আগে শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য নান্দাইলকে সারা বিশ্বের বুকে পরিচিত করানো। আর এই অগ্রযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত নীতি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’কে বুকে ধারণ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি কলেজটির সার্বিক উন্নয়নে একগুচ্ছ উদ্যোগের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, দ্রুতই শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজে অনার্স কোর্স চালু, নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ এবং একটি আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এছাড়া শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিরাপত্তার সুবিধার্থে কলেজের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ, নদীতীরে গাইড ওয়াল নির্মাণ, শহীদ মিনার ও মসজিদ সংস্কার, নারী শিক্ষকদের জন্য পৃথক রেস্ট রুম এবং একটি আধুনিক অডিটোরিয়াম নির্মাণের আশ্বাস দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুলফিকার তৌহিদ, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ওমর ফারুক এবং অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক মারজিয়া হাফসা বক্তব্য রাখেন। কলেজের আইসিটি বিভাগের প্রভাষক রেজাউল করিম মিলন অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মতবিনিময় সভায় কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।


























