দুই দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে মোট ৫৮১ কোটি টাকা ফেরত নিয়েছেন প্রায় ১৪ হাজার গ্রাহক। ব্যাংকের কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রথম দিন (সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর) প্রায় ৬ হাজার গ্রাহক তুলেছেন ২৫৪ কোটি টাকা।
দ্বিতীয় দিন (মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর) ৭ হাজার ৮৯৬ জন গ্রাহক তুলেছেন ৩২৭ কোটি টাকা। গত ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যক্তি আমানতকারীদের কাছ থেকে টাকা ফেরতের আবেদন নেওয়া হয়। এ সময়ে ৭৪ হাজার ২২১টি আবেদনের বিপরীতে মোট ৩ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা ফেরতের চাহিদা জমা পড়েছিল।
সংকটে পড়া ৫টি ব্যাংক—এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করে গঠিত হয়েছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’। এসব ব্যাংকে প্রায় ৭৬ লাখ আমানতকারীর মোট ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার আমানত ছিল, যার মধ্যে ব্যক্তি আমানতকারীদের সঞ্চয়ী হিসাবেই রয়েছে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা।
আমানতকারীদের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক তারল্য সহায়তা হিসেবে সম্প্রতি ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। নগদ টাকা তোলার পাশাপাশি গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকটিতে অনলাইনে অর্থ স্থানান্তর কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।
ব্যক্তি আমানতকারীরা চলতি, সঞ্চয়ী ও মেয়াদি আমানতের মূল টাকা তুলতে পারবেন। মেয়াদি আমানতের পুরো মূল টাকা এককালীন তুলে নিলে তা পূর্ণ ও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হিসেবে গণ্য হবে এবং সেক্ষেত্রে কোনো মুনাফা দেওয়া হবে না।
যারা এখনই টাকা না তুলে আমানত চালু রাখবেন, তারা চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হারে মুনাফা পাবেন এবং ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে পরবর্তীতে মুনাফাসহ লেনদেনের সুযোগ পাবেন।























