| |
শিরোনাম
ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু ২৮০ জন ধর্মীয় ব্যক্তিকে সম্মানি দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জনসংখ্যাকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তরে শিক্ষায় কারিগরিতে জোর দিচ্ছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী ভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় : শামা ওবায়েদ ইসলাম ওমানের উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের অবদানের প্রশংসা রাজপরিবারের পরিবেশ রক্ষা করতে গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি ১০ হাজার কর্মী নেবে ওমান : শামা ওবায়েদ মাঠ প্রশাসনকে জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক করতে সংস্কার আনছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান রাষ্ট্রপতির কৃষকদের ৫ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী
  • প্রচ্ছদ
  • রংপুর
  • তিস্তার পানিতে প্লাবিত হচ্ছে কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চল
  • তিস্তার পানিতে প্লাবিত হচ্ছে কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চল

    Icon
    জেলা প্রতিবেদক
    প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন

    ভারতীয় উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের প্রভাবে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বাড়া অব্যাহত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়ছে।একই সঙ্গে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে তিস্তা নদীর পানি। ফলে জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।

    বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ২৪ দশমিক ৮৪ মিটার, যা বিপৎসীমা (২৬ দশমিক ০৫ মিটার) থেকে মাত্র ১ দশমিক ২১ মিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। তালুক সিমুলবাড়ী পয়েন্টে ধরলার পানি ২৯ দশমিক ৯৪ মিটার, যা বিপৎসীমা (৩০ দশমিক ৮৭ মিটার) থেকে ০ দশমিক ৯৩ মিটার নিচে রয়েছে।

    পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদীর পানি ২৮ দশমিক ৭৫ মিটার উচ্চতায় স্থির রয়েছে, যা বিপৎসীমা (২৯ দশমিক ৬০ মিটার) থেকে ০ দশমিক ৮৫ মিটার নিচে। নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ২৪ দশমিক ৫৬ মিটার, যা বিপৎসীমা (২৬ দশমিক ০৫ মিটার) থেকে ১ দশমিক ৪৯ মিটার নিচে রয়েছে।

    অন্যদিকে চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ২১ দশমিক ৯৭ মিটার, যা বিপৎসীমার (২৩ দশমিক ২৫ মিটার) থেকে ১ দশমিক ২৮ মিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি ২৯ দশমিক ০৫ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার (২৯ দশমিক ৩১ মিটার) থেকে মাত্র ০ দশমিক ২৬ মিটার নিচে রয়েছে। ফলে তিস্তা অববাহিকায় বন্যার শঙ্কা আরও বেড়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম এলাকায় ৫২ মিলিমিটার, পাটেশ্বরী এলাকায় ৫৫ মিলিমিটার এবং কাউনিয়া এলাকায় ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে অব্যাহত পানি বাড়ার কারণে জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। অনেক এলাকায় তলিয়ে গেছে চীনাবাদাম, পাট, মরিচ ও ভুট্টার ক্ষেত। নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা ও ভাঙন আতঙ্ক বাড়ছে।

    পানি বাড়া অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েকদিনে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ভারতীয় উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে।

    বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে বর্তমানে কোনো নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। উজানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় পানি বাড়া অব্যাহত থাকতে পারে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন