যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদন ও সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া চলাকালে কোনো ধরনের অসত্য বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করলে দেশটিতে প্রবেশে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা জারি হতে পারে। সম্প্রতি ভিসা সংক্রান্ত নিয়মাবলীতে এই বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দূতাবাস জানিয়েছে, কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর অতীতের যেকোনো ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের তথ্য সম্পর্কে অবগত থাকেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভিসা আবেদন ফর্মে (ডিএস-১৬০) দেয়া তথ্যের সাথে সাক্ষাৎকারের বক্তব্য, আর্থিক সক্ষমতা, পেশাগত ইতিহাস কিংবা ভ্রমণ উদ্দেশ্যের অমিল ধরা পড়লে তা ‘ভিসা ফ্রড’ বা জালিয়াতি হিসেবে গণ্য করা হয়।
মার্কিন অভিবাসন আইন অনুযায়ী, ভিসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করলে বা মিথ্যা প্রমাণিত হলে কেবল যে ওইবারের আবেদন বাতিল হবে তা-ই নয়, ভবিষ্যৎ ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রেও স্থায়ী অযোগ্যতা (Permanent Ineligibility) ঘোষণা করা হতে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন দূতাবাস বলেছে, সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীদের সত্য তথ্য জানানো উচিত। অতীতের ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের তথ্য গোপন করে বা মিথ্যা তথ্য দিলে গুরুতর পরিণতি হতে পারে।
দূতাবাস সতর্ক করে বলেছে, সাক্ষাৎকারে মিথ্যা তথ্য দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য, পূর্ববর্তী ভ্রমণ রেকর্ড এবং ব্যাংক বিবরণী নিবিড়ভাবে যাচাই করা হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রে অসচেতনতা বা সামান্য তথ্যের গরমিলের কারণেও আবেদনকারীরা বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েন।
তাই ভিসা ফরম পূরণ থেকে শুরু করে কনসুলার অফিসারের মুখোমুখি হওয়া পর্যন্ত সবসময় সম্পূর্ণ সত্য ও নির্ভুল তথ্য প্রদানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


























